ঢাকা , সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬ , ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহী থেকে নেসকোর প্রধান কার্যালয় বগুড়ায় স্থানান্তরের প্রস্তাব: মিশ্র প্রতিক্রিয়া রাজশাহীতে ডিবির অভিযানে মাদক কারবারী গ্রেফতার-৩, পলাতক-১ চাটখিলে কিশোর অটোচালক হত্যা: র‍্যাবের জালে ৩ ঘাতক কোম্পানীগঞ্জে শিক্ষক দম্পতির বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, নগদ টাকাসহ ৯ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট নোয়াখালীতে খাল পড়ে ছিল অজ্ঞাত যুবকের বস্তাবন্দী গলাকাটা লাশ "নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়নে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান"-রাণীশংকৈলে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত আন্তর্জাতিক নারী দিবসে রাণীশংকৈলে বর্ণাঢ্য ‘ফুটবল ডে’,নারী ফুটবলারদের নতুন স্বপ্নের দিগন্ত নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ১৪ প্রথম ধাপে ফ্যামিলি কার্ড পাবেন ৩৭ হাজার ৫৬৪ নারী তৃতীয় ভবিষ্যদ্বাণী মিললেই ‘ধ্বংস’ যুক্তরাষ্ট্র! লেবাননে জনবসতিপূর্ণ এলাকায় সাদা ফসফরাসের গোলা ছুড়েছে ইজ়রায়েল! রাজধানীর মিরপুরে বহুতল ভবনে আগুন এতেকাফের ফজিলত! চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন, ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান মোহনপুরে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা পুঠিয়ায় বাজার মনিটরিং দুই ব্যবসায়ীর জরিমানা তানোরে সরিষার বাম্পার ফলন দাম নিয়ে হতাশ চাষিরা রাকাবের ডিজিএম আবুল কালাম সিণ্ডিকেটের ব্যাংকের ভেতরে প্রভাব বিস্তার ও বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ শ্রম নয়, মানুষ হিসেবেও নারীর মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে: জেলা প্রশাসক চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে ২০০ গ্রাম হেরোইনসহ যুবক গ্রেপ্তার

প্রথম ধাপে ফ্যামিলি কার্ড পাবেন ৩৭ হাজার ৫৬৪ নারী

  • আপলোড সময় : ০৯-০৩-২০২৬ ০৩:৪৪:৫৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৯-০৩-২০২৬ ০৩:৪৪:৫৮ অপরাহ্ন
প্রথম ধাপে ফ্যামিলি কার্ড পাবেন ৩৭ হাজার ৫৬৪ নারী ছবি: সংগৃহীত
পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি কর্পোরেশন ও ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ কর্মসূচির আওতায় প্রথম ধাপে দেশের বিভিন্ন এলাকার মোট ৩৭ হাজার ৫৬৪টি নারী প্রধান পরিবার এই কার্ড পাবেন।

সোমবার (৯ মার্চ) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী জানান, নারীর ক্ষমতায়ন এবং সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিবারে নারীকে প্রধান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে তার নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা সহজে পৌঁছে দেওয়া হবে।

মন্ত্রী বলেন, প্রতিটি কার্ডের মাধ্যমে একটি পরিবারের ৫ জন সদস্য সুবিধা পাবেন। তবে যৌথ বা একান্নবর্তী পরিবারে সদস্য সংখ্যা পাঁচের বেশি হলে আনুপাতিক হারে একাধিক কার্ড দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য নির্বাচিত নারী গৃহপ্রধান যদি অন্য কোনো সরকারি ভাতা বা সহায়তা পান সেক্ষেত্রে সেই সব বিদ্যমান সুবিধা বাতিল হিসেবে গণ্য হবে। তবে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের অন্যান্য ভাতা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় যোগ্য উপকারভোগীরা পাইলটিং পর্যায়ে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা হারে ভাতা প্রাপ্ত হবেন এবং পরবর্তীতে সমমূল্যের খাদ্যপণ্য সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয় বলেও জানান তিনি।

ওয়ার্ড কমিটির সদস্যরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা, সদস্যসংখ্যা, শিক্ষা, বাসস্থান, ব্যবহৃত গৃহস্থালি সামগ্রী (টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার, মোবাইল), রেমিট্যান্স প্রবাহসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন। পরে এসব তথ্য ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে যাচাই-বাছাই করা হয়।

পাইলট পর্যায়ে ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারী প্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরে সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রক্সি মিনস টেস্ট বা দারিদ্র্য সূচক নির্ধারণ করে পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত শ্রেণিতে ভাগ করা হয়।

এর মধ্যে হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত হিসেবে চিহ্নিত ৫১ হাজার ৮০৫টি পরিবারের তথ্য যাচাইয়ের পর ৪৭ হাজার ৭৭৭টি সঠিক পাওয়া যায়। এরপর একই ব্যক্তি একাধিক ভাতা নেওয়া, সরকারি চাকরি বা পেনশনভোগী হওয়া ইত্যাদি বিবেচনায় চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারী প্রধান পরিবারকে ভাতা দেওয়ার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী জানান, পুরো প্রক্রিয়াটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রক্সি মিনস টেস্টের ভিত্তিতে সম্পন্ন হওয়ায় উপকারভোগী নির্বাচনে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি বা ম্যানুয়াল হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি নারী প্রধান পরিবারকে একটি আধুনিক স্মার্ট কার্ড দেওয়া হবে। স্পর্শবিহীন (কন্টাক্টলেস) চিপযুক্ত এই কার্ডে কিউআর কোড ও এনএফসি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা নিরাপদ ও দীর্ঘস্থায়ী হবে।

জাহিদ হোসেন বলেন, পাইলটিং পর্যায়ে কোন পরিবারের কোন সদস্য সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন, ভাতা, অনুদান, পেনশন পেয়ে থাকলে, নারী পরিবার প্রধান এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মচারী হিসেবে চাকরিরত থাকলে ওই পরিবার ভাতা প্রাপ্তির যোগ্য বিবেচিত হবে না।

এছাড়াও পাইলটিং পর্যায়ে কোনো পরিবারের নামে বাণিজ্যিক লাইসেন্স বা বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থাকলে বা বিলাসবহুল সম্পদ (যেমন- গাড়ি, এসি) থাকলে বা ৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র থাকলে ওই পরিবার ভাতা প্রাপ্তির যোগ্য বিবেচিত হবেন না, বলেও জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা খাতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ করা অর্থ থেকে ফ্যামিলি কার্ড ভাতা জি-টু-পি পদ্ধতিতে সরাসরি সুবিধাভোগী নারীর পছন্দ অনুযায়ী তার মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে।

তিনি জানান, তথ্য সংগ্রহকালীন সময়েই উপকারভোগীদের মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এতে করে কোনো ধরনের বিলম্ব, অ্যাকাউন্টে জমা বা কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ ব্যতীত উপকারভোগীরা ঘরে বসেই সরাসরি সরকার হতে ভাতা প্রাপ্ত হবেন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রাজশাহী থেকে নেসকোর প্রধান কার্যালয় বগুড়ায় স্থানান্তরের প্রস্তাব: মিশ্র প্রতিক্রিয়া

রাজশাহী থেকে নেসকোর প্রধান কার্যালয় বগুড়ায় স্থানান্তরের প্রস্তাব: মিশ্র প্রতিক্রিয়া